সেরা ১০টি অল্প পুঁজির ব্যবসা, যার লাভের পরিমাণ বেশি
সেরা ১০টি অল্প পুঁজির ব্যবসা, যার লাভের পরিমাণ বেশি
১ লক্ষ টাকা দিয়ে কোন কোন ব্যবসা করা যায়?
ভূমিকাদেশে শিক্ষিত বেকারের বর্তমান অবস্থা
সেরা ১০টি অল্প পুঁজির ব্যবসা
চাকরির চেয়ে ব্যবসা কেন ভালো
ভূমিকা
বর্তমানে বাংলাদেশে অশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা খুবই কম। অধিকাংশ মানুষই শিক্ষিত, কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এই শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যেই বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার শিক্ষিত তরুণ-তরুণী চাকরির সন্ধানে ছুটে বেড়াচ্ছেন। কেউ চাকরি পাচ্ছেন, কেউ হারাচ্ছেন, আবার অনেকেই দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না।
আরো পড়ুনঃডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং কোর্স
বাংলাদেশে অল্প পুঁজিতে কোন কোন লাভজনক ব্যবসা রয়েছে?
প্রতি বছর যে পরিমাণ শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করছে, সেই অনুপাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি না পাওয়াও শিক্ষিত বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আমাদের সমাজে এখনো একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে—“পড়াশোনা করেছি, তাই চাকরিই করতে হবে।” এই মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
শিক্ষিত হলেই যে শুধু চাকরি করতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। একজন শিক্ষিত ব্যক্তি চাইলে ব্যবসার মাধ্যমেও নিজের জীবন বদলে দিতে পারেন। সেই লক্ষ্যেই আজ আলোচনা করা হবে সেরা ১০টি অল্প পুঁজির লাভজনক ব্যবসা নিয়ে।
দেশে শিক্ষিত বেকারের বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে বাংলাদেশে স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষিত বেকারের হার প্রায় ৬৬ শতাংশ—এ তথ্য বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অর্থাৎ প্রতিবছর যারা গ্র্যাজুয়েশন শেষ করছেন, তাদের একটি বড় অংশ কর্মহীন থেকে যাচ্ছেন।
এর প্রধান কারণ হলো—দেশে চাকরির সুযোগ সীমিত, কিন্তু শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই বাস্তবতা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে যে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার দিকেও মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
অনেকে মনে করেন ব্যবসা করতে প্রচুর পুঁজির প্রয়োজন। বাস্তবে তা পুরোপুরি সঠিক নয়। দেশে এমন বহু ব্যবসা রয়েছে, যেগুলো অল্প পুঁজিতেই শুরু করা যায় এবং সেখান থেকে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব। বেকারত্ব শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্যও একটি বড় বোঝা। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ব্যবসায় উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি।
প্রতি বছর যে পরিমাণ শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করছে, সেই অনুপাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি না পাওয়াও শিক্ষিত বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আমাদের সমাজে এখনো একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে—“পড়াশোনা করেছি, তাই চাকরিই করতে হবে।” এই মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
শিক্ষিত হলেই যে শুধু চাকরি করতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। একজন শিক্ষিত ব্যক্তি চাইলে ব্যবসার মাধ্যমেও নিজের জীবন বদলে দিতে পারেন। সেই লক্ষ্যেই আজ আলোচনা করা হবে সেরা ১০টি অল্প পুঁজির লাভজনক ব্যবসা নিয়ে।
দেশে শিক্ষিত বেকারের বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে বাংলাদেশে স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষিত বেকারের হার প্রায় ৬৬ শতাংশ—এ তথ্য বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অর্থাৎ প্রতিবছর যারা গ্র্যাজুয়েশন শেষ করছেন, তাদের একটি বড় অংশ কর্মহীন থেকে যাচ্ছেন।
এর প্রধান কারণ হলো—দেশে চাকরির সুযোগ সীমিত, কিন্তু শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই বাস্তবতা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে যে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার দিকেও মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
অনেকে মনে করেন ব্যবসা করতে প্রচুর পুঁজির প্রয়োজন। বাস্তবে তা পুরোপুরি সঠিক নয়। দেশে এমন বহু ব্যবসা রয়েছে, যেগুলো অল্প পুঁজিতেই শুরু করা যায় এবং সেখান থেকে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব। বেকারত্ব শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্যও একটি বড় বোঝা। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ব্যবসায় উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি।
আরো পড়ুনঃমাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার কার্যকরী উপায়
সেরা ১০টি অল্প পুঁজির ব্যবসা
ব্যবসা শুরু করতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়—এই ধারণা ভুল। আপনার পুঁজি অনুযায়ী সঠিক ব্যবসা নির্বাচন করলেই সফল হওয়া সম্ভব।
১. অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসা
অনলাইন ব্যবসা মানেই বড় ওয়েবসাইট—এমন নয়। অল্প পরিসরেও অনলাইনে ব্যবসা শুরু করা যায়। যেমন—জামাকাপড়, কসমেটিকস, ভেষজ পণ্য, ফ্যাশন আইটেম ইত্যাদি ফেসবুক বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করা যায়। অল্প পুঁজিতে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় পরিসরে নেওয়া সম্ভব।
২. চায়ের ব্যবসা
চায়ের দোকানকে অনেকেই ছোট করে দেখেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—চা বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভালো লোকেশনে একটি চায়ের দোকান দিলে প্রতিদিনই নিশ্চিত আয় সম্ভব। বেকার বসে থাকার চেয়ে চায়ের ব্যবসা অনেক সম্মানজনক ও লাভজনক।
৩. ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ব্যবসা
অল্প পুঁজিতে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি ব্যবসা শুরু করা যায়। বিভিন্ন ট্রাক, পিকআপ ও পরিবহন মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মালামাল পরিবহনের কাজ পরিচালনা করা সম্ভব। এখানে মূল পুঁজি নয়, দরকার ভালো নেটওয়ার্ক ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা।
৪. ফলের ব্যবসা
স্থানীয় বাজারে ফলের ব্যবসা অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায়। কলা, ডাব, আম, পেয়ারা কিংবা আমদানিকৃত ফল বিক্রি করে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব। নিজ এলাকা থেকে ফল সংগ্রহ করলে পুঁজির প্রয়োজন আরও কম হয়।
৫. সবজির ব্যবসা
প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় সবজির চাহিদা সবসময়ই বেশি। পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে খুচরা বিক্রি করে প্রতিদিন নিয়মিত আয় করা যায়। লাভের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।
৬. স্যান্ডেল বা জুতার ব্যবসা
৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পুঁজি থাকলে মাঝারি মানের জুতা বা স্যান্ডেলের ব্যবসা শুরু করা যায়। সরাসরি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্য কিনলে লাভের পরিমাণ বাড়ে।
৭. ফাস্টফুড ব্যবসা
ফাস্টফুড ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। ফুটপাত থেকেই শুরু করা যায়। ফুচকা, সিঙ্গারা, পেঁয়াজু, হালিম, চপ ইত্যাদি বিক্রি করে অল্প পুঁজিতে ভালো আয় সম্ভব।
৮. কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার
কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা থাকলে ১–২ লক্ষ টাকা পুঁজিতে একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু করা যায়। বর্তমান যুগে এটি একটি স্মার্ট ও ভবিষ্যৎমুখী ব্যবসা।
৯. ফটোকপি ও প্রিন্টিং ব্যবসা
স্কুল, কলেজ বা সরকারি অফিসের আশেপাশে ফটোকপি ও প্রিন্টিং দোকান খুবই লাভজনক। অল্প পুঁজিতে শুরু করে নিয়মিত আয় করা যায়।
১০. মোবাইল মেরামতের ব্যবসা
মোবাইল রিপেয়ার শেখার পর অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়। দক্ষতা থাকলে এই ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব।
চাকরির চেয়ে ব্যবসা কেন ভালো
চাকরি মানে নির্দিষ্ট বেতনে অন্যের অধীনে কাজ করা। এতে আর্থিক স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত থাকে। অন্যদিকে ব্যবসায় শুরুতে কষ্ট থাকলেও ভবিষ্যতে আয় ও স্বাধীনতা দুটোই বাড়ে।
ব্যবসা ছোট হলেও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে চালালে একসময় তা বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। চাকরিতে পদোন্নতি হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা ব্যবসাতেই পাওয়া যায়।
সেরা ১০টি অল্প পুঁজির ব্যবসা
ব্যবসা শুরু করতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়—এই ধারণা ভুল। আপনার পুঁজি অনুযায়ী সঠিক ব্যবসা নির্বাচন করলেই সফল হওয়া সম্ভব।
১. অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসা
অনলাইন ব্যবসা মানেই বড় ওয়েবসাইট—এমন নয়। অল্প পরিসরেও অনলাইনে ব্যবসা শুরু করা যায়। যেমন—জামাকাপড়, কসমেটিকস, ভেষজ পণ্য, ফ্যাশন আইটেম ইত্যাদি ফেসবুক বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করা যায়। অল্প পুঁজিতে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় পরিসরে নেওয়া সম্ভব।
২. চায়ের ব্যবসা
চায়ের দোকানকে অনেকেই ছোট করে দেখেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—চা বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভালো লোকেশনে একটি চায়ের দোকান দিলে প্রতিদিনই নিশ্চিত আয় সম্ভব। বেকার বসে থাকার চেয়ে চায়ের ব্যবসা অনেক সম্মানজনক ও লাভজনক।
৩. ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ব্যবসা
অল্প পুঁজিতে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি ব্যবসা শুরু করা যায়। বিভিন্ন ট্রাক, পিকআপ ও পরিবহন মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মালামাল পরিবহনের কাজ পরিচালনা করা সম্ভব। এখানে মূল পুঁজি নয়, দরকার ভালো নেটওয়ার্ক ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা।
৪. ফলের ব্যবসা
স্থানীয় বাজারে ফলের ব্যবসা অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায়। কলা, ডাব, আম, পেয়ারা কিংবা আমদানিকৃত ফল বিক্রি করে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব। নিজ এলাকা থেকে ফল সংগ্রহ করলে পুঁজির প্রয়োজন আরও কম হয়।
৫. সবজির ব্যবসা
প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় সবজির চাহিদা সবসময়ই বেশি। পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে খুচরা বিক্রি করে প্রতিদিন নিয়মিত আয় করা যায়। লাভের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।
৬. স্যান্ডেল বা জুতার ব্যবসা
৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পুঁজি থাকলে মাঝারি মানের জুতা বা স্যান্ডেলের ব্যবসা শুরু করা যায়। সরাসরি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্য কিনলে লাভের পরিমাণ বাড়ে।
৭. ফাস্টফুড ব্যবসা
ফাস্টফুড ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। ফুটপাত থেকেই শুরু করা যায়। ফুচকা, সিঙ্গারা, পেঁয়াজু, হালিম, চপ ইত্যাদি বিক্রি করে অল্প পুঁজিতে ভালো আয় সম্ভব।
৮. কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার
কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা থাকলে ১–২ লক্ষ টাকা পুঁজিতে একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু করা যায়। বর্তমান যুগে এটি একটি স্মার্ট ও ভবিষ্যৎমুখী ব্যবসা।
৯. ফটোকপি ও প্রিন্টিং ব্যবসা
স্কুল, কলেজ বা সরকারি অফিসের আশেপাশে ফটোকপি ও প্রিন্টিং দোকান খুবই লাভজনক। অল্প পুঁজিতে শুরু করে নিয়মিত আয় করা যায়।
১০. মোবাইল মেরামতের ব্যবসা
মোবাইল রিপেয়ার শেখার পর অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়। দক্ষতা থাকলে এই ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব।
চাকরির চেয়ে ব্যবসা কেন ভালো
চাকরি মানে নির্দিষ্ট বেতনে অন্যের অধীনে কাজ করা। এতে আর্থিক স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত থাকে। অন্যদিকে ব্যবসায় শুরুতে কষ্ট থাকলেও ভবিষ্যতে আয় ও স্বাধীনতা দুটোই বাড়ে।
ব্যবসা ছোট হলেও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে চালালে একসময় তা বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। চাকরিতে পদোন্নতি হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা ব্যবসাতেই পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃকিভাবে ছাগলের খামার করা যায় এবং ছাগলের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
উপসংহার
উপরের আলোচনায় আমরা জানলাম সেরা ১০টি অল্প পুঁজির লাভজনক ব্যবসা সম্পর্কে। এসব ব্যবসা সঠিকভাবে পরিচালনা করলে নিজের জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করা সম্ভব।
বর্তমান বেকারত্ব পরিস্থিতিতে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়াই হতে পারে সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত। তাই সময় এসেছে চাকরির পাশাপাশি বা চাকরি ছেড়ে নিজেই ব্যবসা শুরু করার এবং একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার।
উপসংহার
উপরের আলোচনায় আমরা জানলাম সেরা ১০টি অল্প পুঁজির লাভজনক ব্যবসা সম্পর্কে। এসব ব্যবসা সঠিকভাবে পরিচালনা করলে নিজের জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করা সম্ভব।
বর্তমান বেকারত্ব পরিস্থিতিতে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়াই হতে পারে সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত। তাই সময় এসেছে চাকরির পাশাপাশি বা চাকরি ছেড়ে নিজেই ব্যবসা শুরু করার এবং একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার।

.png)
.png)
.png)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url